চোদ্দ শাক খাওয়া বা চোদ্দ প্রদীপ আমরা কালীপূজার চতুর্দশীর দিন জ্বালায় কেন?
We have many kinds of stories in our world. And every story teaches us something. It might be good or bad. In this blog, we will share those stories which will take our, our soul from Dark to Light. And Light to more Light. Let's bring the light into ourselves to connect Our Soul to Supreme Power. And know who we are. Share the articles with your loved ones.
Wednesday, November 11, 2020
চোদ্দ শাক খাওয়া বা চোদ্দ প্রদীপ আমরা কালীপূজার চতুর্দশীর দিন জ্বালায় কেন? [Ritual before the day of Kalipuja]
Tuesday, November 10, 2020
ধনতেরাস আসলে কি? [What is Dhanteras?]
শাস্ত্রের অপব্যাখ্যার আরেক উদাহরণ - ধনতেরস সোনার গয়না নয়, বরং আয়ুর্বেদ ঔষধ কেনার দিন।
ধন্বন্তরী একজন হিন্দু আয়ুর্বেদ দেবতা । তাঁর প্রচারেই আয়ুর্বেদ আমাদের দেশে এতো প্রসিদ্ধ। তাই আয়ুর্বেদ ও মহৌষধের কথা উঠলেই বলা হয় ধন্বন্তরীর নাম। তিনি ত্রয়োদশী তিথিতে জন্ম গ্রহণ করেন, তাই তখন থেকেই আয়ুর্বেদ প্রেমিকরা তাঁর জন্ম তিথি ধন্বন্তরী ত্রয়োদশী হিসাবে পালন করে। হিন্দিতে এটাকে ধন্বন্তরী তেরস বা সংক্ষেপে ধনতেরস বলে। এর সাথে ধন বা অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এতটাই মূর্খ। আর ব্যবসায়ীরা আমাদের এই মুর্খামিকেই মূলধন করে ব্যবসা করছে।
ধন্বন্তরী জন্মেছিলেন ত্রয়োদশী তিথির শেষ লগ্নে। চতুর্দশীর শুরুতে। তাই ধন্বন্তরীর মতো আয়ুর্বেদাচার্য কে মর্যাদা দিয়ে চতুর্দশী তিথিতে বিশেষ চোদ্দটি পুষ্টি গুণযুক্ত শাক খেয়ে আপনার শরীরে এই শীতের শুরুতে প্রাকৃতিক ভ্যাক্সিন প্রবেশ করানো।
Thursday, October 29, 2020
তারা পূজা কি? [Tara Puja Ki?] (Importance of Tara Puja)
কোজাগরী চতুর্দশীর দিন মানে দূর্গা পূজার দশমীর পরের চতুর্দশী বা কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আগের দিনটি তারাপুজার দিন হিসাবে পালন করা হয়| এই দিন মাকে মূল মন্দির থেকে বের করে রাখা হয় বিরামখানায়| সকালে মায়ের স্ন্যানের পর মাকে নিয়ে আসা হয় এই বিরামখানায়| তারপর সারাদিন ধরে চলে পুজো| মাকে সাজানো হয় রাজবেশে| এই দিন দুপুরে মাকে ভোগ দেয়া হয় না| ভক্তরা যা নিয়ে যায় মা আজ তাই খান সারাদিন ধরে| দুপুরে বিশ্রাম ও হয় না| সারাদিনের শেষে সন্ধ্যের আগে মা চলে যান মূল মন্দিরে তারপর হয় মায়ের সন্ধ্যা আরতি| এবং তারপর মায়ের শীতলী ভোগ|
তারাপুজার প্রচলন তারাপীঠে অনেকদিন আগে থেকে| কথিত আছে আজকের দিনে মহামুনি বশিষ্টদেব তারা মাকে প্রথমবার দর্শন দিয়েছিলে| সেই হিসাবে তারাপীঠে মায়ের আগমন তিথি হিসাবেও ধরা হয়| তারপর জয়দত্ত বণিক তারা মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে মায়ের শিলামূর্তি আবিষ্কার করেন আজকের দিনে| উনি প্রথম যিনি মায়ের মন্দির বানিয়ে শিলামূর্তি পুজো করেন| সেই শিলামূর্তি আজও মন্দিরে পুজো হয়| এছাড়া মায়ের যে মন্দির জয়দত্ত বণিক প্রথম বানিয়েছিলেন, সেই মন্দির অনেক দিন আগেই কালের গহ্বরে হারিয়ে হয়| তবে পর আশ্চর্যজনক ভাবে সেটা উদ্ধারও হয় এবং বর্তমানে সেখানে সাধক বামদেবের সমাধি| সব দিক দিয়েই তারাপুজার গভীরতা অনেক|
Tuesday, October 6, 2020
কি ভাবে ঠিক হয় মা দুর্গা কোন বাহনে আসবেন আর কোন বাহনে যাবেন? [How Maa Durga selects her conveyance every puja?]
![]() |
| মা দুর্গা |
মা দুর্গা প্রতিবছর সপরিবার আসেন এই মর্ত্যে| মহালয়ার দিন কৈলাশ থেকে যাত্রা শুরু করেন আর আবার কৈলাশে ফিরে যান বিজয়াদশমীর দিন| পুরান অনুসারে সপ্তমীর দিন মা মর্ত্যে প্রবেশ করেন| প্রতিবছর মা দুর্গা চার রকম বাহনের মধ্যে কোনো একটাতে আসেন আবার ওই চার রকমের কোনো একটাতে ফেরত যান| এই চার রকম বাহন হল: হাতি, ঘোড়া, নৌকা আর দোলা বা পালকি| খুব সহজে জেনেনি কিভাবে বুঝব মা কোন বাহনে আসবেন আর কোন বাহনে যাবেন|
মা দুর্গা এর আসা বা যাওয়া নির্ভর করে সপ্তাহের কোন বারে মা আসছেন বা যাচ্ছেন| হিসাবটি এইরকমের: রবিবার এবং সোমবার হলে হাতি, মঙ্গলবার এবং শনিবার হলে ঘোড়া, বুধবার হলে নৌকা আর বৃহস্পতি এবং শুক্রবার হলে দোলা বা পালকি| মা এর আসা হিসাব করতে হবে সপ্তমী -এর দিনটি| আর যাওয়া হিসাব করতে হবে দশমী -এর দিনটি|
Wednesday, February 26, 2020
শ্রীশ্রীগয়াধাম নাম,উৎপত্তি ও মাহাত্ম [Details About Gaya]
![]() |
বিষ্ণুপদ মন্দির |
শ্রীশ্রীগয়াধাম নাম,উৎপত্তি ও মাহাত্ম
গয় নামক অসুরের দেহের উপর এই মহাতীর্থ স্থাপিত; এজন্য এই পূর্ণভূমির, নাম গয়াধাম| গয়ার পিতা ত্রিপুরাসুর, মাতা শুক নামক দৈত্যর কন্যা প্রভাবতী| জগতের আদিম শ্বেতকল্পে তাঁর আবির্ভাব| কোলাহল পর্বতে দীর্ঘ সহস্র বৎসর ধরে কুম্ভক-সমাধিযোগে তাঁর কঠোর তপস্যা| সে দারুন তপস্যায় দেবতারা শঙ্কিত, ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহাদেব বিচলিত| সকলকে নিয়ে গয়ার নিকট উপস্থিত হয়ে বিষ্ণু গয়কে বললেন- তোমার তপস্যায় প্রসন্ন হয়েছি, বড় প্রার্থনা কর| গয় প্রার্থনা করলেন, আমাকে দর্শন-স্পর্শন করে যাবতীয় প্রাণী যেন বৈকুন্ঠে গমনে সমর্থ হয়| বিষ্ণু বললেন- তথাস্তু|তারপর বিষ্ণুর নির্দ্দেশে ব্রহ্মা যজ্ঞ সম্পাদনার্থে তদীয় দেহটি চাইলেন| কারণ তিনি বললেন- পৃথিবীর সমস্ত তীর্থ ভ্ৰমণ করে দেখলাম বিষ্ণুর বরে তোমার দেহই সর্ব্বাপেক্ষা পবিত্র| গয়াসুর সানন্দে স্বীয় দেহ দেন করলেন সমগ্র জগতের কল্যাণের জন্য| বললেন- আমি ধন্য হলাম; সকলের উপকারের জন্য আমার দেহে অবশ্য যজ্ঞ হবে| গয় দেহ প্রসারিত করে দিলেন| তাঁর মস্তকের উপর একখণ্ড শিলা স্থাপন পূর্ব্বক যজ্ঞ সম্পন্ন হল| অসুরের দেহ কম্পিত হতে থাকায় বিষ্ণু স্বীয় গদাঘাতে দেহটি নিশ্চল করে দিয়ে তদীয় মস্তকের উপর স্বীয় শ্রীপাদপদ্ম স্থাপন করে বর দিলেন- যে পর্যন্ত পৃথিবী, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহনক্ষত্র থাকবে ততকাল এই শিলায় ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বর থাকবেন| পঞ্চক্রোশ গয়াক্ষেত্র, এক ক্রোশ গয়াশির| গদাধরের পূজা দ্বারা পাপনাশ হোক| যাদের সপিন্ডক শ্রাদ্ধ হবে, তারা ব্রহ্মলোকে গমন করুক| সমস্ত দেবতা ও সকল তীর্থ এখানে অবস্থান করুক| দেবগণসহ বিষ্ণু সানন্দে প্রার্থিত বর প্রদান করলে অসুরের দেহ নিশ্চল হল|
(বায়ু পুরান অষ্টম অধ্যায় থেকে সংকলিত)
তথ্যসূত্র: শ্রীশ্রীগয়া-মাহাত্ম ও গয়া-কৃত্য (স্বামী বেদানন্দ) [ভারত সেবাশ্রম সংঘ]




